সাইবর্গ ২

সাইবর্গ টু
পরিচালকমাইকেল শ্রোইডার
প্রযোজকরাজু প্যাটেল
অ্যালিয়েন সিলভার
রচয়িতামাইকেল শ্রোইডার,
মার্ক গেল্ডম্যান,
রন ইয়ানোভার
শ্রেষ্ঠাংশেইলিয়াস কোটেয়াস,
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি,
জ্যাক প্যালেন্স,
বিলি ড্রাগো,
কারেন শেপার্ড,
অ্যালেন গারফিল্ড,
রেনে গ্রিফিন
পরিবেশকট্রাইমার্ক পিকচার্স (বর্তমানের লায়ন্সগেট)
মুক্তি২৪ নভেম্বর, ১৯৯৩
দৈর্ঘ্য৯৯ মিনিট
ভাষাইংরেজি
নির্মাণব্যয়৫৫ লক্ষ মার্কিন ডলার

সাইবর্গ টু (ইংরেজি: Cyborg 2), যা কিছু দেশে গ্লাস শ্যাডো নামেও মুক্তি পেয়েছে, ১৯৯৩ সালে নির্মিত একটি বিজ্ঞান কল্পকাহিনীমূলক চলচ্চিত্র। এটি পরিচলানা করেছেন মাইকেল শ্রোইডার। এটি একটি ধারাবাহিক চলচ্চিত্র। এই ধরাবাহিকে প্রথম চলচ্চিত্রটি ছিলো ১৯৮৯ সালে নির্মিত সাইবর্গ। এটি অ্যাঞ্জেলিনা জোলির শ্রেষ্ঠাংশে অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে বেশি উল্লেখযোগ্য। যদিও এর আগে জোলি লুকিন' টু গেট আউট চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন, কিন্তু সেটা ছিলো শিশু অভিনেত্রী হিসেবে, এবং নাম ভূমিকায়ও নয়। সাইবর্গ চলচ্চিত্র ধারাবাহিকে তৃতীয় চলচ্চিত্রটি ছিলো ১৯৯৪ সালে নির্মিত সাইবর্গ থ্রি: দ্য রিসাইক্লার

Plot Summary

In the year 2074, the cybernetics market is dominated by the USA's Pinwheel Electronics and Japan's Kobayashi Robotics. Cyborgs are commonplace, used for anything from soldiers to prostitutes. Casella Reese is a top-of-the-line cyborg developed for corporate espionage and is programmed with the "Glass Shadow" program, meant to mimic human senses and emotions such as fear, love, pain and hatred. However, Glass Shadow is also an explosive that runs through her entire circuitry. Guided by the renegade prototype cyborg Mercy, who can communicate through any television screen, she and combat trainer Colton Ricks escape the Pinwheel facility so she can avoid her fate of self-destruction, one that faces most corporate espionage cyborgs.

External links